মেয়ে তুমি তো আমার নয় চেনা
Monday, September 25, 2023
মেয়ে তুমি
কল্পমালার আকাশ
আমার কল্পমালার আকাশ তোমায় নিয়েই সব আভাষ। তোমার স্বপ্নময় স্পর্শ নিয়েই আমার কল্প রাঙা বাতাস। আমি মেঘের আড়ে থাকি আর তোমায় শুধু দেখি। তুমি মুগ্ধতার প্রকাশ আমার তা নিয়েই প্রাণোচ্ছাস। তবু স্বপ্ন বাধি তোমায় নিয়ে যদি না হয় পূর্বাভাস। আমার বন্ধু ছিলো আকাশ তাই বাস্তবতায় থেকেও করি স্বপ্নময় প্রকাশ। আমার কল্প-স্বপ্নগুলো সবার কাছেই অপ্রকাশ তাই নিজেকে করি এককের রাজ্যবাস...
Friday, September 22, 2023
ছুটে চলেছি সারাবেলা...
তোমাকে জিজ্ঞেস করে নয় তোমায় নিয়েই আমি স্বপ্নে ভাসি, কল্প রাঙাই, গল্প বানাই আর নিজেকে তোমার একমাত্র আপন করে রাখি। জীবন যখন যেমনই মোড় নেক আমি তোমাকে নিয়েই গড়েছি আমার গদ্যকল্প ভেলা সেখানেই তোমাকে নিয়ে আমি ছুটে চলেছি সারাবেলা...
প্রেমেরই আঁচলে
কপালের ঐ টিপ চোখেরই কাজলে, তোমাকে জড়িয়ে রাখবো প্রেমেরই আঁচলে। রংধনুর রঙে নয়, নয় ঝর্না ধারাতে তোমার উপমা খুঁজি দু'চোখের তারাতে। খুঁজে খুঁজে দু'চোখ বুঝে পাই তোমায় আরো কাছে, একই ডোরে বাধা দু'জন থাকবো সারা জনম ধরে...
স্বপ্ন দেখে রাত চলে যায়
তার স্বপ্ন দেখে রাত চলে যায়, তারপর আসে ভোর; তারপর আমার ঘুম ভাঙ্গে। দেখি ব্যস্ততার শহর অবিরাম ছুটে চলা একা একা কথা বলা কতো কিছু বলে ফেলা তাকে ভালোবেসে ফেলা এ ভালোবাসাতেই তোমার আমার কল্পসুর...
স্পর্শে অশ্রুজল
কবিতা পড়া শেষ বিকেল আর রাতের সময়টা এক অনন্য অনুভূতি জাগায়। নীড়হারা পাখিদের মতো আমাদের মন সেই আনমনা টানেই পাড়ি জমায়। গল্পের নায়িকা আর নায়কের শেষ অনুভবের আবেশে হৃদয় কম্পিত হয়। মনগড়া নানান কথা, অনুভূতি আর চাহিদার বেহিসাবি গণিতগুলো স্তম্ভিত হয়। মনের ইচ্ছেগুলো অজানা নীল খামে নিয়ে আঁধারের যাত্রী হই। ঠোঁটের শুকিয়ে যাওয়া
স্পর্শে অশ্রুজল প্লাবিত হয়, উজ্জ্বল চোখে দিশাহীন উন্মাদনা নিয়ে কোনো এক সময় নিদ্রা চলে আসে আর স্বপ্নের নানান রঙের খেলায় হারিয়ে যাই...
"সৌভাগ্য"
নতুন বিয়ে করা স্ত্রীর সাথে ড্রইং রুমের সোফায় বসে টিভি দেখছিলাম। আর সোফার পাশে মেঝেতে বসে টিভি দেখছিলো দশ এগারো বছরের কাজের মেয়েটি। ওর নাম শেফালি। দরিদ্র ঘরের মেয়ে। বাবা নেই। মা আছে। আমাদের গ্রামে ওদের বাড়ি। সেই সূত্রেই আমাদের চেনে। ওর মা একদিন মেয়েকে নিয়ে গ্রাম থেকে আমাদের বাড়িতে এসে আমার মাকে বললো, মেয়েটিকে যেনো আমরা রেখে দিই। আমাদের এখানে থাকবে, কাজ করবে। মা রেখে দিলেন। তারপর থেকে মেয়েটি আমাদের বাড়িতে থাকে। মাঝে মাঝে ওর মা এসে মেয়েকে দেখে যায়।
এ যুগের ভালোবাসা
অন্যকে দেখে নিজের সামর্থের ক্ষমতা প্রকাশ হয় এযুগের ভালোবাসায়। "সে এই বয়সে বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরছে", "সে এখন পার্কে প্রেম করছে", "সে এই বয়সেই বিয়ে করে দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছে" -আমি কি করলাম, আমি কেন পারলাম না, আমারও ওদের মতো হওয়া উচিৎ -এই চিন্তাধারাই ভালোবাসার বহুরকমের অর্থে সৃষ্টি করে। প্রতারণা, লাঞ্চনা, অবমূল্যায়ন, হিংসা, বিদ্বেষ, অত্যাচার, অনাচার দিয়েই শেষ হয় নানান রঙের ভালোবাসার নব অংকিত ছবিগুলোর। এই বিষয়ে কেউ সাধু নয়, শ্রোতা ও যে লেখক সেও নানান প্রক্ষাপটে বাস্তবদ্রষ্টা। এই পরিমিত বিষয়াদি যখনই হ্রাস পাবে তখনই খুঁজে পাওয়া যাবে প্রকৃত ভালোবাসার মানুষটিকে যে শুধুই ভালোবাসবে তার মনতৃপ্ত দৃশ্যতা ও প্রিয়ময় জনকেই। ভালোবাসা মানে তখন খুব অনন্য হবে, খুব বিচিত্র হবে...
নক্ষত্রের মেলা
রাতের আকাশে অগোছালো নক্ষত্রের মেলা! আমার আকাশ তোমার আলোক দিশারি দিয়ে চলছে সারাটি বেলা। সারাক্ষণের প্রাপ্তিতে অপ্রাপ্যের খুঁজে তোমাকে মূল মন্ত্র করে প্রতিটি জ্যোতস্নালোকে আমার দৃশ্য কল্প বন্দনা। কল্পনা আর স্বপ্নের আবেশে তোমায় নিয়ে আমার অবাস্তবিক কথা দিয়েই প্রতিটি রাত হয় ভোর নব কল্পনার তরে...
মুগ্ধ মধুর অকল্পনীয়
মুগ্ধ মধুর অকল্পনীয় অতুলনীয় অমায়িক কথা-কল্প রচনা দিয়ে তৈরি ভালোবাসার দু'টি মনের একটি কাহিনী। প্রেমের বিশালাকায় ব্যাখায় সূর্য চন্দ্র যেখানে চারিত্রিক ভূমিকা পায়। সেই কাব্যে প্রকৃত ভালোবাসা হয়েই তোমার অবস্থান প্রিয় মানুষটির জন্য। এখানে তুমি প্রকৃত মনে তার জন্য যতটুকুই চাইবে বাস্তবতা কোনো না কোনো সময় ততটুকুই তোমাকে ফিরিয়ে দেবে। বাস্তবতা কখনই প্রতারণা করেনা করি আমরা মানুষেরা- যারা সরলতাকে নিজের বিজ্ঞতার অস্ত্র বানিয়ে মন ভাঙার কারিগর হিসেবে পরিচয় দেই। কিন্তু অবুঝের জন্য সেই প্রতারণাই প্রকৃত ভালোবাসা আর ভালোলাগার ছোঁয়া হয়ে যায়, কল্পে গল্প বাধে আর স্বপ্নের অনুভূতির আড়ালে চোখ বন্ধ করে যেন সকল তৃপ্ততা সে অর্জন করে নিয়েছে...
আমি দেখি শুধু তোমাকে....
আমি দেখি শুধু তোমাকে, কেউ নেই কিছু নেই আর...
তুমি যে আমার, তুমি যে আমার









